পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Humayun's Tomb-Bega Begum-UNESCO World Heritage Site

ছবি
Humayun's Tomb-Bega Begum-UNESCO World Heritage Site-Places to visit in Delhi তাজমহলকে যদি আমরা ভালোবাসার নিদর্শন বলে আখ্যা দি,তবে হুমায়ুনের এই সমাধিটি কিন্তু সেই আখ্যা পেতে পারে অনায়াসেই।সব ভালোবাসা যদিও সমান ভাবে প্রচারের আলোয় আসে না। হুমায়ুন পত্নী স্বামীর মৃত্যুর পরে তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই সমাধি তৈরি করিয়েছিলেন  দিল্লিতেই, স্বামীকে ইতিহাসের পাতায় অমর করে রাখার ইচ্ছায়। তিনি দেখে না যেতে পারলেও তার সে ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছিল,বর্তমানে এটি UNESCO WORLD Heritage Site বলে পরিগণিত।২৪.০৪ হেক্টর জমি নিয়ে তৈরী, যা শুধু দেশের মধ্যে না সারা বিশ্বের এটি  অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থল।ইতিহাসের সন ও তারিখ বলে মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার পত্নীর  প্রতি ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ তাজমহল গড়েছিলেন ঠিকই কিন্তু সেটা তৈরির মূল ধারনায় ছিল হুমায়ুন টোম্ব,যা প্রায় ৬০ বছর আগে তৈরি। দ্বিতীয় মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর ৯ বছর পর ১৫৬৫ সালে তার স্ত্রী বেগা বেগম (পরবর্তীতে হাজী বেগম) মনস্থির করেন তিনি সমাধি সৌধ বানাবেন ও সেই অনুযায়ী ১৫৭০ সালে তৈরি হলো  দিল্লিতেই  চারবাগ (চারটে বাগান) সমন্বিত হুমায়ুনের সমাধিস্

Tetultala Jagadhatri Puja-Gourhati-Bhadreswar-Chandannagar

ছবি
Tetultala Jagadhatri Puja-Gourhati-Bhadreswar-Chandannagar  Jagadhatri Puja চন্দননগর বলতেই প্রথমেই মনে আসে জগদ্ধাত্রী পুজো ও জলভরা সন্দেশের কথা।পুজোর আলোকসজ্জা,  লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়,তারই মাঝখান দিয়ে অতি উচুঁ মায়ের বিসর্জনের শোভাযাত্রা, পুজোর ডাকের সাজের কথা আজ বিশ্বজোড়া,  যা   বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আলোকময় শোভাযাত্রা,  Rio de Janeiro  এর পর। বিসর্জনের আগে মাকে বরণ করে বিদায় জানানোর রীতি সব ক্ষেত্রেই।  বিদায়বেলায় মেয়ে-বউরা নয়, পুরুষেরা শাড়ি, শাঁখা, সিঁদুর পরে মাকে বরণ করেন।আজ বলবো সেই অভিনব পুজোর কথা।আগে বলেছি পুজোর প্রবর্তন, ছড়িয়ে পড়ার ইতিহাস , নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ,ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর নানান কথা। সেই অভিনব পুজো টি   ভদ্রেশ্বরের তেঁতুলতলার গৌড়হাটির ।যেখানে পুজো শুরু থেকেই চলে আসছে এই রীতি।পুজোর কাজে মেয়েরা ব্রাত্য। Related Posts:  Jagadhatri-Puja-History-Rituals-Myth ,  Krishnanagar Rajbari  Jagadhatri Puja   , Chandannagar Adi Maa Chaulpatti Jagadhatri Puja ,   Top 50 Bonedi Barir Durga Pujo , Sovabazar Rajbari Durga Puja , Prasannamoyee Kali Mandir শ্রীরামপু

Adi Maa Chaulpatty Jagadhatri Puja-Indranarayan Chowdhury-Chandannagar

ছবি
চন্দননগর বলতেই প্রথমেই মনে আসে জগদ্ধাত্রী পুজো ও জলভরা সন্দেশের কথা।পুজোর আলোকসজ্জা,  লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়,তারই মাঝখান দিয়ে অতি উচুঁ মায়ের বিসর্জনের শোভাযাত্রা, পুজোর ডাকের সাজের কথা আজ বিশ্বজোড়া,  যা   বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আলোকময় শোভাযাত্রা,  Rio de Janeiro  এর পর। জগদ্ধাত্রী পুজো প্রথম শুরু করেন নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কৃষ্ণনগর রাজবাড়ীতে । আর চন্দননগরে প্রথম শুরু করেন ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী নিজের বসত গৃহে।তিনি ছিলেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরম বন্ধু। দুঃসময়ে আর্থিক সাহায্যও করেছিলেন প্রচুর। সেই সূত্রে মহারাজা এসেছেনও চন্দননগর বহুবার। কৃষ্ণনগর রাজবাড়ীতে পুজো প্রথম হয় ১৭৫৪ সাল মতান্তরে ১৭৬২ সালে। আর তার পরের বছরই নিজের গৃহে পুজো শুরু করেন  ইন্দ্রনারায়ণ  চৌধুরী।তাহলে সেটা হবে ১৭৫৫ অথবা ১৭৬৩।তবে চন্দন নগরের  পুজো শুরুর ইতিহাস আজও বিতর্কিত। ইন্দ্রনারায়ণ  বাবু মারা যান ১৭৫৬ সালে।তাহলে পুজো তার পক্ষে চালু করা সম্ভব নয় যদি ১৭৬৩ কে ধরি। তবে চন্দননগরে  পুজো শুরু ১৭৫০ এর আগেই। লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার ছিল বাংলার চাল বিক্রেতাদের ব্যাবসার কেন্দ্র।  চাউলপট্টী র জগদ্ধাত্রী পুজো তিনশো বছরেরও

Barrackpore Annapurna Mandir-Rani Rashmoni Ghat

ছবি
Barrackpore Annapurna Mandir-Rani Rashmoni Ghat-Places to visit in Barrackpore প্রথম দর্শনেই মনে হলো এ কোন মন্দির ?  অবিকল দক্ষিণেশ্বর এর মত দেখতে। কিন্তু এ তো দক্ষিণেশ্বর নয়। ব্যারাকপুর।হ্যা।ব্যারাকপুর তালপুকুর অঞ্চলে ইংরেজদের কেন্টনমেনট এর অনতিদূরেই রাণী রাসমণি ঘাটের ধারে গড়ে উঠেছিল একটি অন্নপূর্ণা মন্দির,যা অবিকল দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের মত দেখতে। মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রাণী রাসমণি দেবীর কনিষ্ঠ কন্যা জগদম্বাদেবী।দক্ষিণেশ্বর মন্দির স্থাপনের ২০বছর পর সদৃশ এই মন্দির ১৮৭৫ সালের ১২ ই এপ্রিল উদ্বোধন হয়।উদ্বোধনের দিন উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।এই মন্দির স্থাপনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন জগদম্বা দেবীর স্বামী তথা রাসমণি দেবীর জামাই মথুরামোহন বিশ্বাস ও তার কনিষ্ঠ পুত্র দ্বারিকানাথ বিশ্বাস।যদিও মন্দির শেষ দেখে যেতে পারেননি মথুরামোহন বাবু। অন্ন দিয়ে যিনি দুঃখ দারিদ্র মেটান তিনিই অন্নপূর্ণা।গবেষকদের মতে,অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রভাবেই বাংলায় পসার ঘটেছিল এই পুজোর। আর অন্নদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত নদীয়ার রাজবাড়ি তথা কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি। জনশ্রুতি নদীয়ার রাজবংশ

The Victoria Tram Car Restaurant-Mobile Tram Dining-Kolkata

ছবি
The Victoria Tram Car Restaurant-Mobile Tram Dining-Kolkata Heritage Tram আগেই আপনাদের  'ঘোড়ায় টানা ট্রাম' তথা ট্রামের ইতিহাস ও ট্রাম মিউজিয়াম 'স্মরণিকা' র কথা বলেছি। এখানে বলবো, ট্রামকার রেস্তোঁরা  'ভিক্টোরিয়া'র কথা। 'ট্রাম ভিক্টোরিয়া' , সিটি অফ জয় কে করে তুললো আরও গরিমান্বিত,অভিনব।চলমান ট্রাম রেস্তোঁরা এটি এবং অদ্বিতীয়। ভিক্টোরিয়ান ট্রাম যখন ভিক্টোরিয়ার পাস দিয়ে ছুটে চলে,সাথে ট্রামের ভিতর থেকেই ভেসে আসা নস্টালজিক সব গান,তিলোত্তমা কলকাতার রূপ যেনো আরও  বাড়িয়ে দেয়,সাথে গড়ের মাঠের ফটোজেনিক দৃশ্য আমাদের চেনা কলকাতাও হয়ে ওঠে মোহময়ী।ট্রামের দে ও য়াল জুড়ে কলকাতার ঐতিহ্যমন্ডিত সব ছবি।সাথে তো আছেই ভেজ বা নন ভেজ খাবারের সুবিধা। ভেজ মেনু পাবেন ৭৯৯ টাকায় ও নন ভেজ ৯৯৯ টাকায়, যার মধ্যে ওয়েলকাম ড্রিংকস, স্টার্টার, মেইন কোর্স ও শেষ পাতে জিভে জল আনা রকমারি মিষ্টির সম্ভার।বাঙ্গালী খাবারের সাথে পাবেন চাইনিজ ও।  অগ্রিম বুকিং করতে ভুলবেন না। Related Posts :  Kolkata Tram History ,   Zebra Pulled Car , Smaranika Tram Museum , Kolkata Tram Library, Ko

Smaranika Tram Museum-Vintage Tram-Kolkata City Tours

ছবি
Smaranika Tram Museum-Vintage Tram-Kolkata City Tours-Kolkata Heritage স্মরণিকা হলো ট্রাম মিউজিয়াম-ক্যাফে, যা সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করায় যা দীর্ঘ ১৪০ বছর ধরে চলে আসছে।স্মরণিকা একপ্রকার স্মৃতিচারণ বলতে পারেন।তাই এসপ্ল্যানেডের বুকে স্মরণিকায় বসে এককাপ চা খেতে খেতে  অতীত ঐতিহ্যকে স্মরণ করে আমার তো মন্দ লাগে নি। কলকাতাই হলো  ভারতের একমাত্র শহর যেখানে ট্রাম চলে আজও গড় গড়িয়ে। You may also like :   ট্রাম চালুর ইতিহাস: ১৯শ শতাব্দীতে কলকাতা ছিল পালকি ও ঘোড়ায় টানা  (Horse Drawn Tram Car)  যানবাহনের শহর।ট্রাম কলকাতার প্রথম গণ পরিবহন ব্যবস্থা। সারা দুনিয়ার মধ্যে প্রথম ট্রাম চালু হয়েছিল ১৮০৭ সালে লন্ডন শহরে।ব্রিটেনে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম চালু করে ব্ল্যাকপুল ট্রামওয়ে ১৮৮৫ সালে।সেই ট্রাম রুট এখনও চালু আছে। ১৮৭৩ সালে ২৪শে ফেব্রুয়ারী আর্মেনিয়া ঘাট থেকে বৌবাজার ও কলেজ স্কোয়ার হয়ে শিয়ালদহ পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম ট্রাম পরিষেবা চালু হয়। ১৯০২ সালে ট্রাম পরিষেবার  বৈদ্যুতিকরণ শুরু হয় এবং এটিই ছিল এশিয়ার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম পরিষেবা। স্বাধীনতার কিছু পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

Kolkata Tram History-Tram Routes-Heritage Tourism

ছবি
গুগল থেকে সংগৃহীত Kolkata Tram History-Tram Routes-Heritage Tourism আপনাদের আগে কলকাতার রাস্তায় জেব্রা টানা গাড়ির   (Zebra Pulled Car) কথা বলেছি।আজ বলবো ঘোড়ায় টানা ট্রামের কথা  ( Horse Drawn Tram Car) । Related Posts : Zebra Pulled Car , Kolkata Tram Museum Smaranika , Kolkata Tram Library, Kolkata Tram Victoria Restaurant , Kolkata Tram Heritage Tour, Paat Rani ১৯শ শতাব্দীতে কলকাতা ছিল পালকি ও ঘোড়ায় টানা যানবাহনের শহর।ট্রাম কলকাতার প্রথম গণ পরিবহন ব্যবস্থা। সারা দুনিয়ার মধ্যে প্রথম ট্রাম চালু হয়েছিল ১৮০৭ সালে লন্ডন শহরে।ব্রিটেনে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম চালু করে ব্ল্যাকপুল ট্রামওয়ে ১৮৮৫ সালে।সেই ট্রাম রুট এখনও চালু আছে। You may also like :   ১৮৭৩ সালে ২৪শে ফেব্রুয়ারী আর্মেনিয়া ঘাট থেকে বৌবাজার ও কলেজ স্কোয়ার হয়ে শিয়ালদহ পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম ট্রাম পরিষেবা চালু হয়।এই যাত্রা পথের দৈর্ঘ্য ছিল ৩.৯ কিলোমিটার (২.৪ মাইল)।যাত্রীর অভাবে সেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়।  পরে ক্যালকাটা ট্রাম ওয়েজ কোম্পানি নামে একটি লন্ডনের কোম্পানি কলকাতায় ট্রাম পরিষেবা শু

Jagadhatri Puja-Significance-Myth-Origin-Rituals

ছবি
Jagadhatri Puja-Significance-Myth-Origin-Rituals-Chandannagar  Jagadhatri Puja শরৎ হলো উৎসবের ঋতু।খুশির সময়। গায়ে গায়ে জড়ানো উৎসব।মা দুর্গারই আর এক রূপ  জগদ্ধাত্রী ।সংস্কৃত,বাংলা ও অসমীয়াতে জগদ্ধাত্রী কথার অর্থ হলো  "Jagaddharti" - Holder (Dhatri) of the World (Jagat)  অর্থাৎ জগৎ কে যিনি ধারণ করে আছেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর "আনন্দমঠ"  উপন্যাসে মা দুর্গা ,কালী ও জগদ্ধাত্রীকে তুলনা করেছিলেন  ভারত মাতার সাথে । ত্রয়ী শক্তিরূপে পুজো করেছিলেন। পুরাণ মতে,মহিষাসুরকে বধ করার পর সমগ্র দেবলোক আনন্দে আত্মহারা। গর্বে গর্বিত যে এই পুরো কৃতিত্বই তাঁদের।যেহেতু তাদের সম্মিলিত শক্তিতেই,তাদের হাতেই সৃষ্টি দেবী দূর্গার।সে কৃতিত্বের দাবীও তাঁরা করেন।আত্মসম্মানে আঘাত লাগে দেবীর।  এক্ষেত্রে দেবতাদের আশীর্বাদে নয় দম্ভ ও রোষে জন্ম হলো দেবী জগদ্ধাত্রীর। তাই আদি শক্তি পার্বতী তাদের পরীক্ষা নিলেন।তিনি মায়া হিসাবে তাদের সামনে এলেন ও নিজের শক্তি দিয়ে একটি ঘাস তৈরি করলেন।  এই অবহেলা,অপমানের প্রতিশোধ নিতে একটি তুচ্ছ ঘাসকে ছুড়ে দেন দেবতাদের উদ্দেশে।ইন্দ্রদেব,বায়ুদেব,অগ্নিদেব,বর

Krishnanagar Jagadhatri Puja History-Nadia Rajbari-Krishnachandra Roy

ছবি
Krishnanagar Jagadhatri Puja History-Nadia Rajbari-Raja Krishnachandra Roy কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো: কৃষ্ণনগর,রাজা কৃষ্ণচন্দ্র,জগদ্ধাত্রী পুজো সব যেনো এক সুতোয় গাঁথা মালার মতো।অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এই পুজোর স্রষ্টা রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র ছিলেন নদীয়ার মহারাজা।বাংলার সাহিত্য,সংস্কৃতি ও হিন্দু সমাজে তাঁর ভূমিকা চির স্মরণীয়।তাই তার সভাও অলঙ্কৃত করে ছিলেন গুণী মানুষজন। অন্নদামঙ্গল  কাব্য প্রণেতা ভারত চন্দ্র রায় গুনাকর সহ শাক্ত পদাবলিকার রমাপ্রসাদ সেন প্রমুখ গুণীজন ছিলেন তার সভাসদ। অন্নদামঙ্গল তারই ফরমাসে রাজসভায় রচিত হয়।রাজবাড়ীতে দুর্গা পুজোর প্রচলন ছিল বরাবর।পরিবার মতে রাজরাজেশ্বরীরুপে মা পূজিত হতেন।রাজা যেমন ছিলেন প্রজা বৎসল তেমনই আবার বিচক্ষণ।বাংলার নবাব আলীবর্দী খা কে রাজকর দিতে না পারায় ও নাতি সিরাজের ষড়যন্ত্রে খাজনা বাকীর অভিযোগে বন্দী করা হয় মহারাজকে। (বাংলার নবাবের মতান্তরে মীর কাশিম দ্বারা) মহারাজ ও তার ছেলে বন্দী হন।প্রায় ৯ লক্ষ টাকা দাবী করা হয় তার কাছে মুক্তিপণ হিসেবে।বন্ধু বান্ধব ও ইংরেজ সরকারের সহায়তায় তিনি মুক্তি পান সেই ঋণ শোধ করে।যখন তিনি নদীপথে

Popular Posts

Top 10 Rajbari near Kolkata-Zamindar Houses in Bengal-Heritage Home Stay-Dayout Plan-Weekend Tour

Garalgacha Jamidar Bari-Garalgacha Babuder Bari-Bonedi Barir Pujo

Mahishadal Rajbari-Royal Heritage Stay

Gobardanga Jamidar Bari-Prasannamoyee Kali Mandir-Gobardanga Kalibari